
সমুদ্রের বরফের পুরুত্ব মাপা: মহাকাশ থেকে এক দারুণ আবিষ্কার!
প্রকাশিত হয়েছে: ২৫শে জুলাই, ২০২৫
বন্ধুরা, তোমরা কি জানো, আমাদের পৃথিবীর উত্তর প্রান্তে, যেখানে অনেক ঠান্ডা, সেখানে বিশাল বিশাল বরফের চাদর থাকে? এগুলোকে আমরা বলি ‘সমুদ্রের বরফ’ বা ‘ভাসমান বরফ’। এই বরফগুলো দেখতে ঠিক যেন বিশাল এক আইসবার্গ! তবে আজ আমরা জানবো কিভাবে বিজ্ঞানীরা এই বরফের চাদরগুলোর পুরুত্ব বা গভীরতা মাপছেন। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার কি জানো? তারা এটা করছেন মহাকাশে থাকা স্যাটেলাইটের সাহায্যে!
কীভাবে সম্ভব হলো এই আবিষ্কার?
ভাবো তো, মহাকাশে একটা ছোট্ট জিনিস ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর সেখান থেকে সে আমাদের পৃথিবীর বরফের গভীরতা বলে দিচ্ছে! এটা কেমন অবাক করা ব্যাপার, তাই না? জাপানের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ৫৫টি প্রকৌশল বিভাগের বিজ্ঞানীরা একসাথে এই কাজটি করেছেন। তারা এমন এক নতুন উপায় খুঁজে বের করেছেন, যা দিয়ে সমুদ্রের বরফ কতটা পুরু, তা খুব সহজেই জানা যায়।
স্যাটেলাইট কী করে?
স্যাটেলাইট হলো মানুষের তৈরি এক ধরণের যন্ত্র, যা পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। এদের চোখে সবকিছু ধরা পড়ে। বিজ্ঞানীরা স্যাটেলাইটে এমন কিছু যন্ত্র লাগিয়ে দিয়েছেন, যা দিয়ে তারা বরফের নিচে কত গভীর পর্যন্ত যাওয়া যায়, তা মাপতে পারে। এই যন্ত্রগুলো বিশেষ ধরণের রশ্মি পাঠায়, যা বরফের ভেতর দিয়ে গিয়ে আবার ফিরে আসে। এই রশ্মিগুলো যখন ফিরে আসে, তখন স্যাটেলাইটের যন্ত্রগুলো হিসাব করে বলে দেয় বরফটা কতটা পুরু।
কেন এই আবিষ্কার দরকার?
এই বরফগুলো আমাদের পৃথিবীর জন্য খুবই দরকারি।
- জলবায়ু পরিবর্তন: জলবায়ু পরিবর্তন কি, সেটা তোমরা নিশ্চয়ই জানো? অর্থাৎ, পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া। এই বরফগুলো আমাদের পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যদি বরফ গলে যায়, তাহলে পৃথিবীর তাপমাত্রা আরও বেড়ে যাবে। তাই এই বরফগুলো কতটা আছে, তা জানা খুব জরুরি।
- সমুদ্রের প্রাণিজগৎ: বরফের নিচে অনেক ছোট ছোট সামুদ্রিক প্রাণী এবং শেওলা (algae) থাকে, যারা অনেক বড় মাছ এবং অন্যান্য প্রাণীদের খাবার। বরফের পুরুত্ব জানলে আমরা এই সব প্রাণীদের জীবনযাত্রা সম্পর্কেও অনেক কিছু জানতে পারি।
- জাহাজ চলাচল: কিছু জাহাজ সমুদ্রের এই বরফের অঞ্চল দিয়ে চলাচল করে। বরফের পুরুত্ব জানলে জাহাজগুলো নিরাপদে যেতে পারবে।
শিশুরা ও শিক্ষার্থীরা কেন এটা নিয়ে আগ্রহী হবে?
এটা সত্যিই খুব দারুণ একটা আবিষ্কার!
- মহাকাশ: তোমরা অনেকেই হয়তো মহাকাশ নিয়ে জানতে ভালোবাসো। স্যাটেলাইট, গ্রহ, নক্ষত্র – এগুলো খুবই আকর্ষণীয়। এই আবিষ্কার তোমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মহাকাশে থাকা প্রযুক্তি দিয়ে আমরা পৃথিবী সম্পর্কে কত নতুন জিনিস শিখতে পারি।
- বিজ্ঞান: বিজ্ঞান কি শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ? না! বিজ্ঞান হলো চারপাশের সবকিছুকে বোঝা, নতুন কিছু আবিষ্কার করা। এই আবিষ্কার তোমাদের দেখায় যে, বিজ্ঞানের মাধ্যমে আমরা পৃথিবীর এমন সব রহস্য ভেদ করতে পারি, যা আগে আমরা ভাবতেই পারতাম না।
- পরিবেশ: আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীটাকে বাঁচিয়ে রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। বিজ্ঞানীরা যেমন এই বরফগুলো দেখে পৃথিবীর জলবায়ু নিয়ে চিন্তা করছেন, তেমনি তোমরাও পরিবেশ রক্ষার কথা ভাবতে পারো।
কীভাবে তোমরা আরও জানতে পারবে?
তোমরা চাইলে তোমাদের বাবা-মা বা শিক্ষকদের সাথে কথা বলতে পারো। তারা তোমাদের এই নতুন আবিষ্কার সম্পর্কে আরও তথ্য খুঁজে দিতে সাহায্য করবে। এছাড়া, তোমরা ইন্টারনেটে “সমুদ্রের বরফ” বা “স্যাটেলাইট রিমোট সেন্সিং” লিখে সার্চ করে দেখতে পারো। দেখবে, কত নতুন নতুন ছবি আর তথ্য পাবে!
এই ধরণের আবিষ্কার আমাদের মনে নতুন আশা জাগায়। বিজ্ঞান আমাদের শেখায় কিভাবে প্রশ্ন করতে হয়, কিভাবে উত্তর খুঁজতে হয় এবং কিভাবে পৃথিবীকে আরও ভালোভাবে বুঝতে হয়। আশা করি, এই দারুণ আবিষ্কারটি তোমাদের মনেও বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা আরও বাড়িয়ে দেবে!
এআই সংবাদ সরবরাহ করেছে।
গুগল জেমিনির থেকে প্রতিক্রিয়া পাওয়ার জন্য নিম্নলিখিত প্রশ্নটি ব্যবহৃত হয়েছে:
2025-07-11 00:00 এ, 国立大学55工学系学部 ‘海氷(流氷)の厚さを衛星リモートセンシングで観測’ প্রকাশ করেছে। অনুগ্রহ করে সম্পর্কিত তথ্য সহ একটি বিশদ নিবন্ধ সহজ ভাষায় লিখুন, যা শিশু ও শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারবে, যাতে আরও বেশি শিশু বিজ্ঞানে আগ্রহী হয়। অনুগ্রহ করে শুধু বাংলাতে নিবন্ধটি প্রদান করুন।