
বেপ্পুর সমুদ্র নরক: উষ্ণ প্রস্রবণের এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট, ২০২২, ১৯:৫৩ উৎস: 観光庁多言語解説文データベース (পর্যটন মন্ত্রকের বহুভাষিক ব্যাখ্যা ডেটাবেস) মূল বিষয়: সমুদ্র নরক – বেপ্পুতে গরম স্প্রিংস সম্পর্কে
জাপানের ওওইটা প্রদেশের বেপ্পু শহর, তার নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং বিশেষ করে উষ্ণ প্রস্রবণের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এই শহরটি “ওনসেনের শহর” বা “প্রস্রবণ শহর” হিসেবে খ্যাত, যেখানে ৯,০০০ টিরও বেশি উষ্ণ প্রস্রবণ রয়েছে। এই প্রস্রবণগুলির মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও রহস্যময় হলো “বেপ্পুর সমুদ্র নরক” (Hell of Beppu)।
বেপ্পুর সমুদ্র নরক কী?
“বেপ্পুর সমুদ্র নরক” কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থান নয়, বরং এটি বেপ্পু শহরের আটটি ভিন্ন ভিন্ন উষ্ণ প্রস্রবণের একটি সমষ্টি। এই প্রস্রবণগুলো তাদের স্বতন্ত্র রং, গন্ধ এবং আকারের জন্য বিখ্যাত। “নরক” নামটি এসেছে এগুলোর তীব্র গন্ধ, উচ্চ তাপমাত্রা এবং ফুটন্ত জলের কারণে সৃষ্ট বাষ্পের ঘন মেঘের জন্য, যা দেখে মনে হয় যেন পাতাল থেকে উত্থিত হচ্ছে। পর্যটকদের জন্য এগুলি “জিগোকু” (Jigoku) নামে পরিচিত।
কেন এই প্রস্রবণগুলি এত বিশেষ?
-
অসাধারণ রং: বিভিন্ন খনিজ উপাদানের উপস্থিতির কারণে এই প্রস্রবণগুলির জল বিভিন্ন রঙ ধারণ করে। যেমন:
- উমি জিগোকু (Umi Jigoku) বা সমুদ্র নরক: এর জল উজ্জ্বল নীল রঙের, যা দেখতে সত্যিই সমুদ্রের মতো।
- চিনোike জিগোকু (Chinoike Jigoku) বা রক্তের নরক: এই প্রস্রবণের জল গাঢ় লাল রঙের, যা লৌহ অক্সাইডের উপস্থিতির কারণে এমন দেখায়।
- ওনিইশি বোজু জিগোকু (Oniishibozu Jigoku) বা রাক্ষস-মাথার নরক: এখানে গরম কাদা ফুটন্ত অবস্থায় মাথায় উঠে এসে গোলাকার আকার ধারণ করে, যা দেখতে রাক্ষসের মাথার মতো।
- কামা-ফুতো জিগোকু (Kama-futo Jigoku) বা চুল্লী নরক: এটি সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীন নরক, যেখানে জল একটি বিশাল চুল্লীর মতো ফুটে ওঠে।
-
পর্যটন কেন্দ্র: এই প্রস্রবণগুলি শুধুমাত্র দেখার জন্যই নয়, এদের মধ্যে কয়েকটি সাধারণ পর্যটকদের জন্য স্নানেরও ব্যবস্থা রেখেছে। বিশেষ করে “হোঁজি জিগোকু” (Hōshi Jigoku) তে পর্যটকরা প্রাকৃতিক পরিবেশে উষ্ণ প্রস্রবণে স্নান করার সুযোগ পান।
-
রান্না ও চিকিৎসা: স্থানীয়রা এই প্রস্রবণের তাপ ব্যবহার করে ডিম সেদ্ধ করেন। এখানে সেদ্ধ ডিমের এক বিশেষ স্বাদ রয়েছে। এছাড়াও, এই প্রস্রবণের জলের থেরাপিউটিক গুণাবলীর জন্য অনেকেই এখানে চিকিৎসা ও সুস্থতার জন্য আসেন।
-
ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি: বেপ্পু শহরের অর্থনীতিতে এই উষ্ণ প্রস্রবণগুলির এক বিশাল অবদান রয়েছে। এটি জাপানের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র এবং প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ দেশি-বিদেশি পর্যটক এখানে আসেন।
কীভাবে যাবেন?
বেপ্পু শহরে পৌঁছানোর জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বিমান। ওওইটা বিমানবন্দর (Oita Airport) থেকে বাস বা ট্যাক্সি নিয়ে বেপ্পু শহরে যাওয়া যায়। এছাড়াও, শিনকানসেন (বুলেট ট্রেন) ব্যবহার করেও ওওইটা শহর থেকে বেপ্পুতে আসা সম্ভব।
ভ্রমণের সেরা সময়:
বেপ্পু ভ্রমণের জন্য বসন্ত (মার্চ-মে) এবং শরৎ (সেপ্টেম্বর-নভেম্বর) মাসগুলো সবচেয়ে মনোরম। এই সময়ে আবহাওয়া মনোরম থাকে এবং চারপাশের প্রকৃতিও খুব সুন্দর থাকে।
উপসংহার:
বেপ্পুর সমুদ্র নরক কেবল একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, এটি প্রকৃতি ও মানুষের সহাবস্থানের এক অসাধারণ উদাহরণ। এখানকার উষ্ণ প্রস্রবণগুলি বেপ্পুকে এক অন্যরকম পরিচিতি এনে দিয়েছে। যদি আপনি জাপানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে এক অদ্বিতীয় অভিজ্ঞতা লাভ করতে চান, তাহলে বেপ্পু শহর এবং এখানকার “সমুদ্র নরক” আপনার ভ্রমণ তালিকায় অবশ্যই রাখা উচিত। এটি এমন এক অভিজ্ঞতা যা আপনি সারা জীবন মনে রাখবেন।
বেপ্পুর সমুদ্র নরক: উষ্ণ প্রস্রবণের এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা
এআই সংবাদ সরবরাহ করেছে।
গুগল জেমিনির থেকে প্রতিক্রিয়া পাওয়ার জন্য নিম্নলিখিত প্রশ্নটি ব্যবহৃত হয়েছে:
2025-08-30 19:53 এ, ‘সমুদ্র নরক – বেপ্পুতে গরম স্প্রিংস সম্পর্কে’ প্রকাশিত হয়েছে 観光庁多言語解説文データベース অনুযায়ী। অনুগ্রহ করে সম্পর্কিত তথ্য সহ একটি বিশদ নিবন্ধ লিখুন যা সহজবোধ্য এবং পাঠকদের ভ্রমণে আগ্রহী করে তোলে। অনুগ্রহ করে বাংলায় উত্তর দিন।
325