বিজ্ঞানের দুনিয়ায় মেয়েদের স্বাগত!,国立大学55工学系学部


বিজ্ঞানের দুনিয়ায় মেয়েদের স্বাগত!

নতুন এক আয়োজন, যেখানে মেয়েরা জানবে ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মজার সব কথা!

বন্ধুরা, তোমরা কি কখনো ভেবে দেখেছ, কীভাবে আমাদের চারপাশের সবকিছু তৈরি হয়? আমরা যে ফোন ব্যবহার করি, যে গাড়িগুলো রাস্তায় চলে, কিংবা যে উঁচু উঁচু বিল্ডিংগুলো আকাশে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকে—এসবের পেছনের কারিগর কারা? তারা হলেন ইঞ্জিনিয়ার! আর ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য যারা পড়াশোনা করেন, তাদের পছন্দের জায়গা হলো ইঞ্জিনিয়ারিং-এর স্কুল বা ‘কোজুগাকু’ (工学部)।

এবার এক দারুণ খবর আছে! জাপানের ৫৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং-এর শিক্ষকরা মিলে একটি বিশেষ আয়োজন করছেন, যার নাম ‘প্রকৌশল বিভাগের বর্তমান নারী শিক্ষার্থীরা উত্তর দিচ্ছে! মেয়েদের জন্য প্রকৌশল বিভাগের পরামর্শ সভা’। ভাবছ, এটা কী?

এটা এমন এক অনুষ্ঠান যেখানে ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ছাত্রী, অর্থাৎ ‘বর্তমান মেয়ে শিক্ষার্থীরা’ (現役女子大生) এসে তোমাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেবে। ধরো, তোমার মনে প্রশ্ন আসছে—”মেয়েরা কি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারে?”, “ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া কি খুব কঠিন?”, “ইঞ্জিনিয়ার হলে কী কী কাজ করা যায়?”, “আমার প্রিয় খেলনা বা মোবাইল কীভাবে তৈরি হয়?”—এই সব রকম প্রশ্ন তোমরা তাদের জিজ্ঞাসা করতে পারবে।

কেন এই আয়োজন?

অনেক সময় আমাদের মনে হয়, বিজ্ঞান বা ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মতো বিষয়গুলো শুধু ছেলেদের জন্য। কিন্তু এটা একেবারেই সত্যি নয়! মেয়েরাও বিজ্ঞানের অনেক বড় বড় আবিষ্কার করেছে এবং করছে। এই আয়োজনটির মূল উদ্দেশ্য হলো, মেয়েদের ইঞ্জিনিয়ারিং-এর জগতে আসতে উৎসাহ দেওয়া। তারা জানাতে চায় যে, ইঞ্জিনিয়ারিং-এর বিভিন্ন শাখা, যেমন—কম্পিউটার, রোবট, গাড়ি, বাড়ি তৈরি, মহাকাশ, এমনকি সুন্দর সুন্দর নকশার পেছনেও মেয়েরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কী কী জানতে পারবে?

  • ইঞ্জিনিয়ারিং-এর বিভিন্ন শাখা: ইঞ্জিনিয়ারিং শুধু একটি বিষয় নয়, এর অনেক ভাগ আছে। যেমন—ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিদ্যুৎ নিয়ে কাজ), মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ), সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (রাস্তা, ব্রিজ, বাড়ি তৈরি), কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (কম্পিউটার ও সফটওয়্যার তৈরি) ইত্যাদি। তোমরা জানতে পারবে কোন শাখায় কী কাজ হয়।
  • পড়াশোনার অভিজ্ঞতা: যারা ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পড়ছে, তারা তাদের মজার ও কঠিন অভিজ্ঞতাগুলো বলবে। তারা কীভাবে পড়াশোনা করে, কী কী শেখে, তা তোমরা সরাসরি তাদের মুখ থেকে শুনতে পাবে।
  • ভবিষ্যৎ কর্মজীবন: ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর কী কী চাকরি বা পেশা আছে, দেশ-বিদেশের বড় বড় কোম্পানিগুলোতে কী কাজ করা যায়, সে সম্পর্কেও তারা ধারণা দেবে।
  • মেয়েরা কেন ইঞ্জিনিয়ারিং-এ আসবে: মেয়েরা কেন এই বিষয়ে পড়লে নিজেদের মেলে ধরতে পারবে, সমাজে তাদের কী অবদান থাকবে, সেটাও তারা বলবে।

কখন এবং কোথায়?

এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে ২০২৫ সালের ২৭শে জুন, একদম সকাল ০০:০০ মিনিটে (মানে, মধ্যরাতের পর থেকে শুরু)। এটি একটি অনলাইন অনুষ্ঠান, তাই তুমি নিজের বাড়ি থেকেই এতে অংশ নিতে পারবে।

তোমাদের জন্য বার্তা:

ছোট বন্ধুরা, তোমরা যারা ভবিষ্যতে বিজ্ঞানী, আবিষ্কারক বা ইঞ্জিনিয়ার হতে চাও, তাদের জন্য এই অনুষ্ঠানটি একটি দারুণ সুযোগ। মন খুলে প্রশ্ন করো, নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করো। মনে রেখো, বিজ্ঞান বা ইঞ্জিনিয়ারিং-এর দুনিয়াটা সবার জন্য উন্মুক্ত, বিশেষ করে মেয়েদের জন্য।

তাহলে, আর দেরি কেন? এই বিশেষ দিনে, এই দারুণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিজ্ঞানের জগতে নিজেদের স্বপ্নকে আরও একবার নতুন করে সাজাও! কে জানে, হয়তো তোমার কোনো আবিষ্কার একদিন পৃথিবী বদলে দেবে!


現役女子大生が答える!女子中高生のための工学部相談会


এআই সংবাদ সরবরাহ করেছে।

গুগল জেমিনির থেকে প্রতিক্রিয়া পাওয়ার জন্য নিম্নলিখিত প্রশ্নটি ব্যবহৃত হয়েছে:

2025-06-27 00:00 এ, 国立大学55工学系学部 ‘現役女子大生が答える!女子中高生のための工学部相談会’ প্রকাশ করেছে। অনুগ্রহ করে সম্পর্কিত তথ্য সহ একটি বিশদ নিবন্ধ সহজ ভাষায় লিখুন, যা শিশু ও শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারবে, যাতে আরও বেশি শিশু বিজ্ঞানে আগ্রহী হয়। অনুগ্রহ করে শুধু বাংলাতে নিবন্ধটি প্রদান করুন।

মন্তব্য করুন