জাতিসংঘের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে শিশুদের মৃত্যুহার এবং মৃত শিশু জন্ম দেওয়ার ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। তবে এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা) অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা পূরণ করা কঠিন হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে শিশু মৃত্যুহার কমানোর ক্ষেত্রে বেশ কিছু অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। তবে এই উন্নতির গতি বর্তমানে ধীর হয়ে যাওয়ায় ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অনুযায়ী যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, তা পূরণ করা সম্ভব নাও হতে পারে।
জাতিসংঘের এই সতর্কবার্তায় স্বাস্থ্যখাতে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়া এবং জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিশেষত দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় উদ্ভাবনী সমাধান এবং পর্যাপ্ত বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে মাতৃস্বাস্থ্যসেবার উন্নতির পাশাপাশি শিশুদের রোগ প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রমকে আরও জোরদার করার কথা বলা হয়েছে। সেই সাথে, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনটি বিশ্বব্যাপী নীতিনির্ধারকদের এবং স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোকে শিশু ও মাতৃমৃত্যুহার কমাতে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার জন্য উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।
শিশুদের মৃত্যু এবং স্টিল জন্মের ঝুঁকি হ্রাসে দশকের অগ্রগতি, জাতিসংঘের সতর্কতা
এআই সংবাদ সরবরাহ করেছে।
নিচের প্রশ্নটি Google Gemini থেকে প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়েছে:
2025-03-25 12:00 এ, ‘শিশুদের মৃত্যু এবং স্টিল জন্মের ঝুঁকি হ্রাসে দশকের অগ্রগতি, জাতিসংঘের সতর্কতা’ Women অনুযায়ী প্রকাশিত হয়েছে। অনুগ্রহ করে সম্পর্কিত তথ্য সহ সহজবোধ্যভাবে একটি বিশদ নিবন্ধ লিখুন।
51